বাংলা কৌতুক : পরীক্ষায় ১০০ পাওয়ার উপায়

পরীক্ষায় ১০০ পাওয়ার উপায়

মিতার বাবা মিতার রেজাল্ট কার্ড আনতে স্কুলে গেলেন। স্কুলে গিয়ে মিতার শ্রেণি শিক্ষককে বললেন, মাফ করুন, মিতা মনে হয় এবারও পরীক্ষায় শূন্য পেয়েছে!
শিক্ষক : না না, আপনি ভুল বলছেন, আপনার মেয়ে এবার স্কুলে বিশেষ এক রেকর্ড করেছে।
বাবা: তাই নাকি! তা কততম হয়েছে আমার মেয়ে?
শিক্ষক: মিতা এবারের পরীক্ষায় এমন লেখা লিখেছে যে, সব খাতায় সে ১০০ করে ১০টি বিষয়ে ১০০০ পেয়েছে!
বাবা: শিক্ষকরা কেন তাকে এত নম্বর দিয়েছেন একটু বলবেন?
শিক্ষক: শিক্ষকদের আর কী দোষ! মিতা প্রতিটি খাতায় লিখেছে, দয়া করে আমাকে শূন্যের বদলে যে কোনো নম্বর দিন। তাই আমাদের শিক্ষকরা দয়া করে ১০০ করে ১০০০ দিয়েছেন!

****

আরও পড়ুন: কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা

আত্মহত্যায় বাধা

পল্টু একদিন রেস্টুরেন্টে একটি কোমলপানীয়ের বোতল সামনে রেখে উদাস হয়ে বসেছিল। একটু পর তার এক বন্ধু এলো—
বন্ধু: কিরে পল্টু, তোর খবর কী? উদাস হয়ে বসে আছিস কেন?
পল্টু: এই তো আছি।

বন্ধু এবার টেবিলে রাখা পানীয়টা ঢক ঢক করে খেয়ে ফেলল—
বন্ধু: বল, কী হয়েছে?
পল্টু: আর বলিস না। আজ ভাগ্যটাই খারাপ দোস্ত।
বন্ধু: কেন, কী হয়েছে?
পল্টু: জিএফের সঙ্গে সকালে ব্রেকআপ হলো। তারপর রাস্তায় গাড়িটা নষ্ট হওয়ায় অফিসে যেতে দেরি হলো। তাই বস আমাকে চাকরি থেকে আউট করে দিলো।
বন্ধু: এ আর কী ব্যাপার। জিএফ একটা গেছে দশটা আসবে। চাকরি নাই, আবার পাবি।
পল্টু: না রে দোস্ত। আমার ভাগ্যটাই খারাপ, মনের দুঃখে আত্মহত্যা করার জন্য পানীয়তে বিষ মেশালাম, তাও আবার তুই এসে খেয়ে ফেললি!

****

পরী বউ

বিল্টু বিকেলে তার বন্ধুর সঙ্গে গল্প করছে—
বিল্টু: জানিস? আমার বউ আসলে মানুষ না, পরী! আমি এতদিন বুঝতেই পারিনি।
বিল্টুর বন্ধু: বলিস কি?
বিল্টু: হ্যাঁ, গত রাতে হঠাৎ ঘুম থেকে জেগে দেখি, আমার বউ বসে আছে আর তার মুখ থেকে আলোর আভা বের হচ্ছে!
বিল্টুর বন্ধু: বলিস কি?
বিল্টু: হ্যাঁ, সেই আভা কখনো বাড়ছে কখনো কমছে। কিন্তু আমি নড়ে উঠতেই সেই আভা মিলিয়ে গেলো। আর বউ ঝট করে আমার পাশে শুয়ে পড়ল।
বিল্টুর বন্ধু: হা হা হা।
বিল্টু: তুই হাসছিস কেন?
বিল্টুর বন্ধু: ওরে গাধা,পরী টরি কিচ্ছু না। তোর বউ তোর মোবাইল ফোন চেক করছিল।

****

সংগৃহীত

আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল আইডি প্রচার করা হবে না। কোন মন্তব্যে স্প্যাম লিংক/রেফারেল লিংক থাকলে সেটা প্রকাশ করা হবে না।

one × three =