পানিফলের উপকারিতা

পানিফল কাঁচা এবং সেদ্ধ দুভাবেই খাওয়া যায়। পানিফলের উপকারিতা রয়েছে প্রচুর। এটি বলকারক। এটি যকৃতের প্রদাহনাশক ও উদরাময় রোগ নিরাময়ক। পানিফল পুরুষের দৈহিক শক্তিবর্ধক ও ঋতুর আধিক্যজনিত সমস্যায় উপকারী। পানিফলের পুষ্টিগুণ এবং স্বাস্থ্য উপকারিতা নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।

আরও পড়ুন: সকালে কাঁচা ছোলা খাওয়ার উপকারিতা কি

পানিফলের পুষ্টিগুণ :

পানিফলের প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যযোগ্য অংশে নিম্নরূপ খাদ্য উপাদান রয়েছে :-
খাদ্যশক্তি- ৬৫ কিলোক্যালরি, জলীয় অংশ- ৮৪.৯ গ্রাম, খনিজ পদার্থ- ০.৯ গ্রাম, খাদ্যআঁশ- ১.৬ গ্রাম, আমিষ- ২.৫ গ্রাম, চর্বি- ০.৯ গ্রাম, শর্করা- ১১.৭ গ্রাম, ক্যালসিয়াম- ১০ মিলিগ্রাম, আয়রন- ০.৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি১- ০.১৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি২- ০.০৫ মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি- ১৫ মিলিগ্রাম। এছাড়াও এতে রয়েছে জিঙ্ক, আয়রন, সোডিয়াম, পটাশিয়াম।

আরও পড়ুন: সকালে খালি পেটে রসুন খাওয়ার উপকারিতা

পানিফলের গুনাগুন :

পেটের রোগ এবং ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ এমনকি ক্যানসার প্রতিরোধক গুণাগুণ রয়েছে পানিফলের।

শরীর ঠাণ্ডা করতে পানিফলের গুনাগুন দারুণ। শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন দূর করতে দারুণ কার্যকারী এই পানিফল।

পানিফলে প্রচুর অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট এবং অ্যান্টি ভাইরাল গুন রয়েছে। পাশাপাশি অ্যান্টি ক্যানসার হিসেবে ও খুব ভাল কাজ করে পানিফল।

পানিফল বমিভাব এবং হজমের সমস্যা দূর করতে খুবই উপকারি। অনিদ্রা এবং শাররিক দুর্বলতা দূর করতে দারুণ কাজ দেয় এই ফল।

আরও পড়ুন: তরমুজের উপকারিতা

ঠাণ্ডা, সর্দি, কাশি হলে পানিফল স্বস্তি দিতে পারে। অ্যানিমিয়া, ব্রঙ্কাইটিস কমাতে পারে এই ফল।

পানিফল এ পটাশিয়াম আছে বলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে খুব ভাল কাজ করে । ত্বক উজ্জ্বল এবং সতেজ রাখতে পানিফল খুব কার্যকারী।

পানিফল পটাশিয়াম, জিঙ্ক এবং ভিটামিন বি সমৃদ্ধ। ভিটামিন ই আছে বলে এটা চুল ভালো রাখে।

দারুণ উপকারী পানিফলের শাঁস শুকিয়ে রুটি বানিয়ে খেতে পারলে অ্যালার্জি এবং হাত পা ফোলা রোগ কমে যায়।

বিছা বা পোকা কামড় দিলে আক্রান্ত স্থানে পানিফল পিষে লাগালে ব্যথা যন্ত্রণা দ্রুত সেরে যায়।

আরও পড়ুন: বাদামের উপকারিতা ও অপকারিতা

আরও পড়ুন