ইসলাম ধর্ম – Priyota https://www.priyota.xyz Sun, 24 May 2020 11:33:42 +0000 bn-BD hourly 1 https://i2.wp.com/www.priyota.xyz/wp-content/uploads/2018/10/cropped-apple-icon-144x144.png?fit=32%2C32&ssl=1 ইসলাম ধর্ম – Priyota https://www.priyota.xyz 32 32 158673122 রোজার কাজা ও রোজা ভঙ্গের কাফফারা https://www.priyota.xyz/religion-islam/article/8707/%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%ad%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95 Wed, 13 May 2020 17:00:58 +0000 https://www.priyota.xyz/?p=8707 রোজার কাজা ও রোজা ভঙ্গের কাফফারা

সাধারণত কাজা বলতে আমরা বুঝি বকেয়া। আর কাফফারা বলতে বুঝি জরিমানা। রোজার কাজা ও রোজা ভঙ্গের কাফফারা নিয়ে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হল। রমজানের রোজা খুবই গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার কারণে তা ভঙ্গ করলে কখনো কাজা কিংবা কখনো কাজা + কাফফারা অর্থাৎ বকেয়া + জরিমানা দুটিই আদায় করতে হয়। আরও পড়ুন: রোজা ভঙ্গের কারণ সমূহ কাজা রোজার […]

The post রোজার কাজা ও রোজা ভঙ্গের কাফফারা appeared first on Priyota.

]]>
রোজার কাজা ও রোজা ভঙ্গের কাফফারা

সাধারণত কাজা বলতে আমরা বুঝি বকেয়া। আর কাফফারা বলতে বুঝি জরিমানা। রোজার কাজা ও রোজা ভঙ্গের কাফফারা নিয়ে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হল। রমজানের রোজা খুবই গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার কারণে তা ভঙ্গ করলে কখনো কাজা কিংবা কখনো কাজা + কাফফারা অর্থাৎ বকেয়া + জরিমানা দুটিই আদায় করতে হয়।

আরও পড়ুন: রোজা ভঙ্গের কারণ সমূহ

কাজা রোজার নিয়ম ও রোজা ভাঙ্গার কাফফারা

শরিয়তে কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও বিনা কারণে রোজা ভঙ্গ করলে তাকে অবশ্যই কাজা-কাফফারা উভয়ই আদায় করা ওয়াজিব। যতটি রোজা ভঙ্গ হবে, ততটি রোজা আদায় করতে হবে। কাজা রোজা ১ টির পরিবর্তে ১ টি অর্থাৎ রোজার কাজা হিসেবে শুধু ১ টি রোজাই যথেষ্ট। এবং কাজা + কাফফারা অর্থাৎ একটির পরিবর্তে ১+৬০ = ৬১টি রোজা রাখতে হবে।

রোজার কাফফারা আদায় করার তিনটি বিধান রয়েছে।

  • একটি রোজা ভঙ্গের জন্য একাধারে ৬০টি রোজা রাখতে হবে। কাফফারা ধারাবাহিকভাবে ৬০টি রোজার মাঝে কোনো একটি ভঙ্গ হলে আবার নতুন করে শুরু করতে হবে।
  • যদি কারও জন্য ৬০টি রোজা পালন সম্ভব না হয় তাহলে সে ৬০ জন মিসকিনকে দুই বেলা খানা দেবে। অপর দিকে কেউ অসুস্থতাজনিত কারণে রোজা রাখার ক্ষমতা না থাকলে ৬০ জন ফকির, মিসকিন, গরিব বা অসহায়কে প্রতিদিন দুই বেলা করে পেটভরে খানা খাওয়াতে হবে।
  • গোলাম বা দাসী আজাদ বা নিঃশর্তে মুক্ত / স্বাধীন করে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: সেহরি ও ইফতারের দোয়া এবং নিয়ত

যেসব কারণে শুধু কাজা আদায় করতে হয়

  • স্ত্রীকে চুম্বন বা স্পর্শ করার কারণে যদি বীর্যপাত হয়।
  • ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করলে।
  • পাথরের কণা, লোহার টুকরা, ফলের বিচি গিলে ফেললে।
  • ডুশ গ্রহণ করলে।
  • নাকে বা কানে ওষুধ দিলে (যদি তা পেটে পৌঁছে)।
  • মাথার ক্ষতস্থানে ওষুধ দেওয়ার পর তা যদি মস্তিষ্কে বা পেটে পৌঁছে।
  • যোনিপথ ব্যতীত অন্য কোনোভাবে সহবাস করার ফলে বীর্য নির্গত হলে।
  • স্ত্রী লোকের যোনিপথে ওষুধ দিলে।

উল্লেখ্য, রমজান মাস ছাড়া অন্য সময়ে রোজা ভঙ্গের কোনো কাফফারা নেই, শুধু কাজা আছে।

যেসব কারণে কাজা ও কাফফারা উভয়ই আদায় করতে হয়

  • রোজা অবস্থায় ইচ্ছাকৃত পানাহার করলে।
  • রোজা অবস্থায় ইচ্ছাকৃতভাবে সহবাস করলে।

আরও পড়ুন: সেহরি ও ইফতারের দোয়া এবং নিয়ত

সূত্র: আহকামে যিন্দেগী, কৃতজ্ঞতা: ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান, ও মাওলানা মিরাজ রহমান

The post রোজার কাজা ও রোজা ভঙ্গের কাফফারা appeared first on Priyota.

]]>
8707
রোজা ভঙ্গের কারণ সমূহ https://www.priyota.xyz/religion-islam/article/8704/%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%ad%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%82%e0%a6%b9 Sun, 26 Apr 2020 07:34:26 +0000 https://www.priyota.xyz/?p=8704 রোজা ভাঙার কারণ সমূহ

বিভিন্ন সময় এবং পবিত্র রমজান মাসে আমরা রোজা রাখি। নানা কারনে আমাদের রোজা ভঙ্গ হয়। রোজা ভাঙার বা ভঙ্গ হওয়ার কারণ গুলো জানা জরুরী। আসুন রোজা ভঙ্গের কারণ সমূহ কি কি জেনে নিই। আরও পড়ুন: সেহরি ও ইফতারের দোয়া এবং নিয়ত রোজা ভঙ্গের কারণ গুলো কি কি ইচ্ছাকৃত ভাবে পানাহার করলে। স্বামী স্ত্রী সহবাস করলে। […]

The post রোজা ভঙ্গের কারণ সমূহ appeared first on Priyota.

]]>
রোজা ভাঙার কারণ সমূহ

বিভিন্ন সময় এবং পবিত্র রমজান মাসে আমরা রোজা রাখি। নানা কারনে আমাদের রোজা ভঙ্গ হয়। রোজা ভাঙার বা ভঙ্গ হওয়ার কারণ গুলো জানা জরুরী। আসুন রোজা ভঙ্গের কারণ সমূহ কি কি জেনে নিই।

আরও পড়ুন: সেহরি ও ইফতারের দোয়া এবং নিয়ত

রোজা ভঙ্গের কারণ গুলো কি কি

  • ইচ্ছাকৃত ভাবে পানাহার করলে।
  • স্বামী স্ত্রী সহবাস করলে।
  • পুরা রমজান মাস রোজার নিয়ত না করলে।
  • কুলি করার সময় হলকের নিচে পানি চলে গেলে (রোজার কথা স্মরণ না থাকলে রোজা ভাঙ্গবে না)।
  • নস্য গ্রহণ করলে, নাকে বা কানে তৈল বা ঔষধ প্রবেশ করালে।
  • ইচ্ছকৃত মুখভরে বমি করলে।
  • জবরদস্তি করে কেহ রোজা ভাঙ্গালে।
  • পাথরের কণা বা ফলের বিচি গিলে ফেললে।
  • ইনজেকশান বা স্যালাইনের মাধ্যমে দেমাগে ঔষধ পৌছালে।
  • সূর্যাস্ত হয়েছে মনে করে সূর্যাস্তের আগে ইফতার করলে।
  • মুখে পান রেখে ঘুমিয়ে পড়ে সুবহে সাদিকের পর ঘুম হতে জাগরিত হওয়া। এ অবস্থায় শুধু কাজা রোজা ওয়াজিব হবে।
  • দাঁত হতে ছোলা পরিমান খাদ্য দ্রব্য গিলে ফেললে।
  • মুখ ভর্তি বমি গিলে ফেললে।
  • ধূমপান করলে, ইচ্ছাকৃত আগরবাতি বা লোবান জ্বালায়ে ধোয়া গ্রহন করলে।
  • রাত আছে মনে করে সোবহে সাদিকের পর পানাহার করলে।

আরও পড়ুন: নামাজ পড়ার সঠিক নিয়ম

রোজা ভাঙার জন্য কাজা রোজা ওয়াজিব হবে। আর যদি রোজা অবস্থায় ইচ্ছাকৃত ভাবে স্বামী স্ত্রী সহবাস করে অথবা ইচ্ছাকৃত ভাবে পানাহার করে তাহলে কাজা এবং কাফফারা দুটোই ওয়াজিব হবে। রমজান মাস ছাড়া অন্য সময়ে রোজা ভঙ্গের কোনো কাফফারা নেই, শুধু কাজা আছে।

আরও পড়ুন: রোজার কাজা ও রোজা ভঙ্গের কাফফারা

The post রোজা ভঙ্গের কারণ সমূহ appeared first on Priyota.

]]>
8704
সেহরি ও ইফতারের দোয়া এবং নিয়ত https://www.priyota.xyz/religion-islam/article/8694/%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b9%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%93-%e0%a6%87%e0%a6%ab%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%82 Fri, 24 Apr 2020 15:46:54 +0000 https://www.priyota.xyz/?p=8694 ramadan mubarak

সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সকল প্রকার পানাহার এবং ভোগ বিলাস থেকে বিরত থাকার নাম রোজা। সকল সুস্থ সবল মুসলমানের জন্য রমজান মাসে প্রতিদিন রোজা রাখা ফরজ। রমজানের রোজার সেহরি ও ইফতারের দোয়া এবং নিয়ত বাংলা উচ্চারণ ও আরবিতে নিচে দেয়া হল। আল্লাহ সবাইকে রোজা রাখার তৌফিক দান করুন। আমীন! আরও পড়ুন : নামাজ পড়ার সঠিক […]

The post সেহরি ও ইফতারের দোয়া এবং নিয়ত appeared first on Priyota.

]]>
ramadan mubarak

সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সকল প্রকার পানাহার এবং ভোগ বিলাস থেকে বিরত থাকার নাম রোজা। সকল সুস্থ সবল মুসলমানের জন্য রমজান মাসে প্রতিদিন রোজা রাখা ফরজ। রমজানের রোজার সেহরি ও ইফতারের দোয়া এবং নিয়ত বাংলা উচ্চারণ ও আরবিতে নিচে দেয়া হল। আল্লাহ সবাইকে রোজা রাখার তৌফিক দান করুন। আমীন!

আরও পড়ুন : নামাজ পড়ার সঠিক নিয়ম

রোজার নিয়ত আরবি :

نويت ان اصوم غدا من شهر رمضان المبارك فرضا لك ياالله فتقبل منى انك انت السميع العليم

বাংলা উচ্চারণ : নাওয়াইতু আন আছুমা গাদাম মিন শাহরি রমাজানাল মুবারাকি ফারদাল্লাকা, ইয়া আল্লাহু ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নিকা আনতাস সামিউল আলিম।

বাংলা অর্থ : হে আল্লাহ! আগামীকাল পবিত্র রমযান মাসে তোমার পক্ষ হতে ফরয করা রোজা রাখার নিয়ত করলাম, অতএব তুমি আমার পক্ষ হতে কবুল কর, নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।

ইফতারের দোয়া আরবি :

اَللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَ عَلَى رِزْقِكَ وَ اَفْطَرْتُ بِرَحْمَتِكَ يَا اَرْحَمَ الرَّاحِيْمِيْن

বাংলা উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিযক্বিকা ওয়া আফতারতু বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমীন।

বাংলা অর্থ : হে আল্লাহ! আমি তোমারই সন্তুষ্টির জন্য রোজা রেখেছি এবং তোমারই দেয়া রিযিক্ব দ্বারা ইফতার করছি।

আরও পড়ুন : করোনা ভাইরাস রোগ থেকে মুক্তির দোয়া

Photo by Rafsan Rafsi on Behance

The post সেহরি ও ইফতারের দোয়া এবং নিয়ত appeared first on Priyota.

]]>
8694
করোনা ভাইরাস রোগ থেকে মুক্তির দোয়া https://www.priyota.xyz/religion-islam/article/8551/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%97-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%95 Fri, 10 Apr 2020 18:08:04 +0000 https://www.priyota.xyz/?p=8551 করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তির দোয়া

করোনা ভাইরাস এখন আতঙ্কের নাম। মহামারি আকার ধারণ করা এই করোনা ভাইরাস রোগ সহ সব ধরনের মহামারি ও সংক্রামক ব্যাধি থেকে মুক্তির জন্য নিচে দুটি দোয়া দেয়া হল। নতুন সৃষ্ট সংক্রামক রোগ বালাই থেকে রক্ষা পেতে বেশি বেশি করে দুয়া পড়তে মিজানুর রহমান আজহারী সহ অন্যান্য ইসলামী স্কলাররা। আরও পড়ুন: নামাজ পড়ার সঠিক নিয়ম করোনা […]

The post করোনা ভাইরাস রোগ থেকে মুক্তির দোয়া appeared first on Priyota.

]]>
করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তির দোয়া

করোনা ভাইরাস এখন আতঙ্কের নাম। মহামারি আকার ধারণ করা এই করোনা ভাইরাস রোগ সহ সব ধরনের মহামারি ও সংক্রামক ব্যাধি থেকে মুক্তির জন্য নিচে দুটি দোয়া দেয়া হল। নতুন সৃষ্ট সংক্রামক রোগ বালাই থেকে রক্ষা পেতে বেশি বেশি করে দুয়া পড়তে মিজানুর রহমান আজহারী সহ অন্যান্য ইসলামী স্কলাররা।

আরও পড়ুন: নামাজ পড়ার সঠিক নিয়ম

করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে যে দুআ পড়বেন

اللَّهمَّ إِنِّي أَعُوُذُ بِكَ مِنَ الْبرَصِ، وَالجُنُونِ، والجُذَامِ، وسّيءِ الأَسْقامِ

বাংলা উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আ’য়ুজুবিকা মিনাল বারাছ, ওয়াল জুনুন, ওয়াল জুযাম, ওয়া সায়্যিইল আসক্বাম।’ (আবু দাউদ)

বাংলা অর্থ: ‘হে আল্লাহ, আমি তোমার নিকট ধবল, কুষ্ঠ এবং উন্মাদনা সহ সব ধরনের কঠিন দূরারোগ্য ব্যাধি থেকে পানাহ চাই।’ (সুনানে আবু দাউদ)

নতুন সৃষ্ট সংক্রামক রোগ বালাই থেকে বাঁচার জন্য নিচের দোয়াটি পড়বেন

 اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ مُنْكَرَاتِ الأَخْلاَقِ وَالأَعْمَالِ وَالأَهْوَاءِ وَ الْاَدْوَاءِ

বাংলা উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন মুনকারাতিল আখলাক্বি ওয়াল আ’মালি ওয়াল আহওয়ায়ি, ওয়াল আদওয়ায়ি।’ (তিরমিজি)

বাংলা অর্থ : ‘হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি তোমার কাছে খারাপ (নষ্ট-বাজে) চরিত্র, অন্যায় কাজ ও কুপ্রবৃত্তির অনিষ্টতা এবং বাজে অসুস্থতা ও নতুন সৃষ্ট রোগ বালাই থেকে আশ্রয় চাই।’ (তিরমিজি)

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে এই ভয়াবহ মহামারি ও সংক্রামক ভাইরাস ব্যাধি থেকে হেফাজত করুক।

আরও পড়ুন: কোরবানির মাংস বন্টনের নিয়ম

ছবি সুত্র: ফেসবুক

The post করোনা ভাইরাস রোগ থেকে মুক্তির দোয়া appeared first on Priyota.

]]>
8551
শবে বরাতের নামাজ পড়ার নিয়ম https://www.priyota.xyz/religion-islam/article/8536/%e0%a6%b6%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9c-%e0%a6%aa%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf Wed, 08 Apr 2020 19:48:53 +0000 https://www.priyota.xyz/?p=8536 শবে বরাতের নামাজ পড়ার নিয়ম

শবে বরাতের নামাজ বলতে নফল নামাজ পড়া বোঝানো হয়। হাদিসে বলা হয়েছে, এই রাতে এক বছরের জন্য সৃষ্টি জগতের ভাগ্য বণ্টন করা হয়। এই রাতের গুরুত্ব অপরিসীম। এজন্য লাইলাতুল বরাতের এই রাতটি ইবাদত বন্দেগী করে কাটানো উচিত। শবে বরাতের নামাজ পড়ার নিয়ম ও দোয়া নিচে দেয়া হল। শবে বরাতের ফজিলত আরবি শাবান মাসের ১৪ই দিবাগত […]

The post শবে বরাতের নামাজ পড়ার নিয়ম appeared first on Priyota.

]]>
শবে বরাতের নামাজ পড়ার নিয়ম

শবে বরাতের নামাজ বলতে নফল নামাজ পড়া বোঝানো হয়। হাদিসে বলা হয়েছে, এই রাতে এক বছরের জন্য সৃষ্টি জগতের ভাগ্য বণ্টন করা হয়। এই রাতের গুরুত্ব অপরিসীম। এজন্য লাইলাতুল বরাতের এই রাতটি ইবাদত বন্দেগী করে কাটানো উচিত। শবে বরাতের নামাজ পড়ার নিয়ম ও দোয়া নিচে দেয়া হল।

শবে বরাতের ফজিলত

আরবি শাবান মাসের ১৪ই দিবাগত ১৫ তারিখের রাতকে লাইলাতুল বরাত বা শবে বরাত বলা হয়। শব শব্দের অর্থ রাত এবং বরাত অর্থ সৌভাগ্য। শবে বরাত শব্দের অর্থ হল সৌভাগ্যের রাত। মহান আল্লাহ মহিমান্বিত এ রাতে বান্দাদের জন্য তাঁর অশেষ রহমতের দরজা খুলে দেন। এই রাতে পাক পবিত্র হয়ে আল্লাহর ইবাদত বন্দেগী করলে, আল্লাহর কাছে নিজের পাপ, গুনাহ এবং অন্যায় কাজের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করলে মহান আল্লাহ তা কবুল করেন এবং অনুতপ্ত বান্দার গুনাহ মাফ করে দেন।

হাদিসে আছে, “যে ব্যাক্তি শাবান মাসের পনের তারিখ রাতে এবাদত বন্দেগী করবে এবং দিনে রোজা রাখবে, তাকে দোজখের আগুন স্পর্শ করতে পারবে না”।

শবে বরাতের নামাজের নিয়ম ও দোয়া

শবে বরাতের নামাজের নিয়ত আরবিতে :

“নাওয়াইতুআন্ উছল্লিয়া লিল্লা-হি তা‘আ-লা- রাক‘আতাই ছালা-তি লাইলাতিল বারা-তিন্ -নাফলি, মুতাওয়াজ্জিহান ইলা-জিহাতিল্ কা‘বাতিশ্ শারীফাতি আল্লা-হু আকবার”।

নিয়ত বাংলায় :

“আমি ক্বেবলামূখী হয়ে আল্লাহ্ এর উদ্দেশ্যে শবে বরাতের দু‘রাক‘আত নফল নামাজ আদায়ের নিয়ত করলাম – আল্লাহু আকবার”।

শবে বরাতের নামাজ পড়ার নিয়ম

শবে বরাতের নফল নামাজ দুই রাকাত করে পড়তে হবে। কমপক্ষে ১২ রাকাত নামাজ আদায় করা উত্তম। তবে লাইলাতুল বরাতের নামাজ এর বেশি যত রাকাত পড়া যায় ততই উত্তম। কারন যত বেশি সালাত আদায় করা যায় যাবে তত বেশি ছওয়াব।

নামাজের প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহা পড়ার পর যে কোন সূরা মিলিয়ে পড়া যাবে। তবে সূরা ফাতিহা পড়ার পর সূরা ক্বদর, সূরা ইখলাছ, আয়াতুল কুরছী অথবা সূরা তাকাছুর ইত্যাদি সূরা মিলিয়ে পড়া বেশি ছওয়াবের কাজ।

প্রতি ৪ রাকাত পর পর কিছু তাসবিহ্-তাহলীল আদায় করে তওবা পড়ে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া কামনা করা অতি উত্তম।

পবিত্র শবে বরাতে এভাবে এভাবে সারা রাত নামাজ আদায় করতে পারেন। নামাজ আদায় করে মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পারবেন। আসুন এই পবিত্র রাতে আমরা বেশি বেশি করে নফল নামাজ আদায় করি এবং আল্লাহ্‌র কাছে নিজের গুনাহ এবং অন্যায় কাজের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করি। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে কবুল করুন, আমীন।

আরও পড়ুন : নামাজ পড়ার সঠিক নিয়ম

তথ্য সুত্র: al-feqh

The post শবে বরাতের নামাজ পড়ার নিয়ম appeared first on Priyota.

]]>
8536
কোরবানির মাংস বন্টনের নিয়ম https://www.priyota.xyz/religion-islam/article/7547/%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b8-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf Mon, 05 Aug 2019 17:29:28 +0000 https://www.priyota.xyz/?p=7547

কোরবানি দেয়ার পর মাংস বন্টন করা খুব গুরুত্বপূর্ণ কাজ। কোরবানির মাংসের ভাগ সঠিক ভাবে বন্টন না করলে কিন্তু কুরবানি কবুলের শর্ত পূরণ হবে না। তাই কোরবানির মাংস বন্টনের নিয়ম আপনার জানা দরকার। মাংস ভাগের নিয়ম মেনে ভাগ করে বিলিয়ে দিতে হবে। চলুন জেনে নিই কিভাবে বন্টন করবেন পশু কোরবানির মাংস। আরও পড়ুন: নামাজ পড়ার নিয়ম […]

The post কোরবানির মাংস বন্টনের নিয়ম appeared first on Priyota.

]]>

কোরবানি দেয়ার পর মাংস বন্টন করা খুব গুরুত্বপূর্ণ কাজ। কোরবানির মাংসের ভাগ সঠিক ভাবে বন্টন না করলে কিন্তু কুরবানি কবুলের শর্ত পূরণ হবে না। তাই কোরবানির মাংস বন্টনের নিয়ম আপনার জানা দরকার। মাংস ভাগের নিয়ম মেনে ভাগ করে বিলিয়ে দিতে হবে। চলুন জেনে নিই কিভাবে বন্টন করবেন পশু কোরবানির মাংস।

আরও পড়ুন: নামাজ পড়ার নিয়ম

কুরবানির মাংস বন্টন

৩ ভাগে ভাগ

কোরবানির মাংস বানানোর পর সব মাংস সমান ভাবে ৩ ভাগে ভাগ করতে হবে। পরিমাপের জন্য প্রয়োজনে দাড়িপাল্লা ব্যবহার করতে পারেন।

পশু কুরবানির কারনে অন্তর শুদ্ধ হবে। এটাই কোরবানির মূল প্রেরণা। বর্তমান সময়ে অনেকে গোশত বানানোর পর সেখান থেকে প্রতিবেশী এবং ফকীর মিসকীনদের অল্প কিছু দিয়ে বাকি গোশত নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় অথবা সকল মাংস সংরক্ষণ করে থাকেন। এটি করলে অন্তর শুদ্ধ হবে না। এর মাধ্যমে কুরবানির দাতার কৃপণতা প্রকাশ পায়। এটা করা মোটেও উচিত নয়।

গরিব দুঃখী ও আত্মীয়স্বজন

মাংস সমান ৩ ভাগ করার পর ১ ভাগ গরিব দুঃখীকে, ১ ভাগ আত্মীয় স্বজনকে এবং বাকি ১ ভাগ নিজে খাওয়ার জন্য রাখতে হয়। নিজের রাখা ভাগ থেকেও ইচ্ছা করলে আত্নীয় ও গরিব দূঃখী প্রতিবেশিদের দিতে পারবেন। তবে অন্য দুই ভাগ নিকট আত্মীয় ও গরীর মিসকিনদের হক, এটা ঠিকমত বিলিয়ে দিতে হবে।

চামড়া

কোরবানির গরুর আর একটি অংশ হল চামড়া বা চামড়ার টাকা। এটাতে ও গরীর মিসকিনদের হক রয়েছে।

মনে রাখবেন পশু কোরবানির মাংস সবসময় নিকটতম আত্নীয় এবং দূরের গরিব-দূঃখী অপেক্ষা আশপাশের গরিব দূঃখী প্রতিবেশিদের দেয়া উত্তম।

The post কোরবানির মাংস বন্টনের নিয়ম appeared first on Priyota.

]]>
7547
নামাজ পড়ার সঠিক নিয়ম https://www.priyota.xyz/religion-islam/article/6681/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9c-%e0%a6%aa%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%a0%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%ae Sun, 04 Aug 2019 16:38:10 +0000 https://www.priyota.xyz/?p=6681 নামাজ পড়ার সঠিক নিয়ম

অনেকে নিয়মিত নামাজ আদায় করেন, কিন্তু সঠিক নিয়ম ও দোয়া না পড়ার কারনে তাদের নামাজ সঠিক হয়না। তাই নামাজ পড়ার নিয়ম বাংলায় নিচে বিশদভাবে আলোচনা করা হল। যারা নতুন করে নামাজ শিখতে চাইছেন বা নামাজ পড়া শুরু করবেন ভেবেছেন তারা অবশ্যই নামাজ আদায়ের সঠিক পদ্ধতি শিখে নিন। নামাজ পড়ার সঠিক নিয়ম ও দোয়া কেবলামুখী হওয়া […]

The post নামাজ পড়ার সঠিক নিয়ম appeared first on Priyota.

]]>
নামাজ পড়ার সঠিক নিয়ম

অনেকে নিয়মিত নামাজ আদায় করেন, কিন্তু সঠিক নিয়ম ও দোয়া না পড়ার কারনে তাদের নামাজ সঠিক হয়না। তাই নামাজ পড়ার নিয়ম বাংলায় নিচে বিশদভাবে আলোচনা করা হল। যারা নতুন করে নামাজ শিখতে চাইছেন বা নামাজ পড়া শুরু করবেন ভেবেছেন তারা অবশ্যই নামাজ আদায়ের সঠিক পদ্ধতি শিখে নিন।

নামাজ পড়ার সঠিক নিয়ম ও দোয়া

কেবলামুখী হওয়া

যে জায়গায় নামাজ পড়তে দাঁড়ানো হবে, সেখানে অবশ্যই কেবলা মুখী হয়ে দাঁড়াতে হবে এবং মুখে নিয়্যত উচ্চারণ করবে না, কারণ মুখে নিয়্যত উচ্চারণ করা শরীয়ত সম্মত নয়; বরং বা তা বিদ’আত। কারণ নবী কারীম সাল্লাল্লাহু ‘আলইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর সাহাবাগণ কেউ মুখে নিয়্যত উচ্চারণ করেননি।
সুন্নত হলো যে, নামাযী তিনি ইমাম হয়ে নামায আদায় করুন অথবা একা তার সামনে সুত্রাহ (নামাযের সময় সামনে স্থাপিত সীমাচিহ্ন) রেখে নামায পড়বেন। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলইহি ওয়াসাল্লাম নামাযের সামনে সুত্রাহ ব্যবহার করে নামায পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। কিবলামুখী হওয়া নামাযের শর্ত।

তাকবীরে তাহরীমাহ

আল্লাহু আকবার বলে তাকবীরে তাহরীমা দিয়ে নামাযে দাঁড়াবে এবং দৃষ্টিকে সিজদার স্থানে নিবদ্ধ রাখবে।

তাকবীরে তাহরীমায় হাত উত্তোলণ

পুরুষ এর ক্ষেত্রে:

তাকবীরে তাহরীমার সময় উভয় হাত কানের লতি পর্যন্ত উঠানো এবং উভয় তালু কিবলামুখি হওয়া।

মহিলার ক্ষেত্রে:

তাকবীরে তাহরীমার সময় উভয় হাত কাঁধ পর্যন্ত উঠানো।

বুকে হাত বাঁধা

পুরুষ এর ক্ষেত্রে:

উভয় হাত নাভীর ঠিক নিচে রেখে ডান হাতের বৃদ্ধা এবং কনিষ্ঠংগুলি দ্বারা বাম হাতের কব্জি ধরে ডান হাতের মধ্যের তিন আঙ্গুল বাম হাতের পিঠের উপর থাকবে।

মহিলার ক্ষেত্রে:

মহিলারা বুকের উপর বামহাত রেখে হালকাভাবে ডান হাত দ্বারা ধরবে।
সানা , সূরা ফাতিহা, সূরা মিলানো
হাত বাঁধার পর সানা পড়তে হয় । সানা পড়া সুন্নাত।

( سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ وَتَبَارَكَ اسْمُكَ وَتَعَالَى جَدُّكَ وَلَا إِلَهَ غَيْرُكَ )
উচ্চারণঃ(সোবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা, ওয়া তাবারাকাস্মুকা, ওয়া তা’আলা জাদ্দুকা ওয়া লা-ইলাহা গাইরুকা।)
সানা পড়ার পর আউজুবিল্লাহ পড়া সুন্নাত, বিসমিল্লাহ্‌ পড়া সুন্নাত, এর পর সূরা ফাতিহা পড়া। সূরা ফাতিহা পড়া ওয়াজিব।
সূরা ফাতিহার শেষে আমীন বলা।
সূরা ফাতিহা পড়া শেষে সূরা মিলানোর পুর্বে বিসমিল্লাহ্‌ পড়া সুন্নাত। সূরা মিলানো ওয়াজিব।

রুকূ

উভয় হাত দু’কাঁধ অথবা কান বরাবর উঠিয়ে আল্লাহু আকবার বলে রুকূতে যাবে। মাথাকে পিঠ বরাবর রাখবে এবং উভয় হাতের আঙ্গুলগুলিকে খোলাবস্থায় উভয় হাঁটুর উপরে রাখবে। রুকূতে ইতমিনান বা স্থিরতা অবলম্বন করবে। এবং চোখের দৃষ্টি দুই পায়ের মধ্যভাগে রাখা।
এরপর বলবেঃ (সুবহানা রাব্বি’আল ‘আজীম)।
অর্থঃ (আমি আমার মহান প্রভুর পবিত্রতা বর্ণনা করছি।)
দোয়াটি তিন বা তার অধিক পড়া ভাল

রুকু হতে সোজা হয়ে দাঁড়ানো ওয়াজিব। দাড়ানোর সময় “সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ” বলা এবং তারপর “রাব্বানা লাকাল হামদ” বলা সুন্নাত।

সিজদাহ

সিজদাতে যাওয়ার সময় আল্লাহু আকবর বলা সুন্নাত। তারপর দুই সিজদাহ করা ফরজ।
বলে যদি কোন প্রকার কষ্ট না হয় তা হলে দুই হাটু উভয় হাতের আগে (মাটিতে রেখে) সিজদায় যাবে। আর কষ্ট হলে উভয় হাত হাটুর পূর্বে (মাটিতে) রাখা যাবে। হাত ও পায়ের আঙ্গুলগুলি কিবলামুখী থাকবে এবং হাতের আঙ্গুলগুলি মিলিত ও প্রসারিত হয়ে থাকবে। সেজদাহ অবস্থায় চোখের দৃষ্টি নাকের দিকে নিবন্ধ রাখা এবং হাতের আঙ্গুলগুলি মিশিয়ে রাখা। সিজদাহ্ হবে সাতটি অঙ্গের উপর। অঙ্গগুলো হলোঃ নাক সহ কপাল, উভয় হাতুলী, উভয় হাঁটু এবং উভয় পায়ের আঙ্গুলের ভিতরের অংশ। (সেজদাহ মহিলারা শরীর একেবারে মিশিয়ে সেজদাহ করবে।)
সিজদায় গিয়ে বলবেঃ (সুবহানা রাব্বিয়াল আ’লা) । এই দোয়াটি তিনবার বলা সুন্নত।

সিজদা থেকে উঠা

সেজদাহ হতে উঠার সময় সর্বপ্রথম কপাল তারপর নাক তারপর হাত উঠবে। (আল্লাহু আকবার) বলে সিজদাহ থেকে মাথা উঠাবে। বাম পা বিছিয়ে দিয়ে তার উপর বসবে এবং ডান পা খাড়া করে রাখবে। দু’হাত তার উভয় রান (উরু) ও হাঁটুর উপর রাখবে।

দ্বিতীয় সিজদাহ

(আল্লাহু আকবার) বলে দ্বিতীয় সিজদাহ করবে। এবং দ্বিতীয় সিজদায় তাই করবে প্রথম সিজদায় যা করেছিল।
সেজদাহ শেষ করে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আবার প্রথম রাকাতের মত ২য় রাকাতের সিজদাহ পর্যন্ত হুবুহু পড়বে।

আরামের বৈঠক

২য় রাকাতের সিজদাহ থেকে (আল্লাহু আকবার) বলে মাথা উঠাবে। ক্ষণিকের জন্য বসবে, যে ভাবে উভয় সিজদার মধ্যবর্তী সময়ে বসেছিল। এ ধরনের পদ্ধতিতে বসাকে (জলসায়ে ইসতেরাহা) বা আরামের বৈঠক বলা হয়।

বসা অবস্থায় চোখের দৃষ্টি হাতের উপর রাখা এবং আঙ্গুলগুলি স্বাভাবিক অবস্থায় রাখা ও বাম পায়ের উপর বসে ডান পা খাড়া রেখে আঙ্গুলগুলী ভাজ করে কিবলামুখী করে রাখা ।

মহিলার ক্ষেত্রে:

বসা অবস্থায় নিতম্বের উপর বসবে এবং উভয় পা ডান দিকে বের করে দিবে

এরপর আত্তাহিয়্যাতু পাঠ করা ওয়াজিব। যদি দুই রাকাত বিশিষ্ট নামাজ হয় তবে আত্তাহিয়্যাতুর পর দুরুদ শরীফ পাঠ করা এবং তারপর দোয়ায়ে মাসুরা পড়া সুন্নত।

তিন বা চার রাকাত বিশিষ্ট নামাজ হলে আত্তাহিয়্যাতু পাঠ করার পর দাঁড়িয়ে বাকি রাকাতগুলি আদায় করবে। “আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহু” বয়লে প্রথমে ডান দিকে পরে বাম দিকে সালাম ফিরাবে। সালাম ফিরানো ওয়াজিব

তারপর দুরুদ শরীফ ও ইস্তেগফার পাঠ করে মুনাজাত করবে , মুনাজাত করা নামাযের অংশ নয়।

অন্যান্য

  • যোহর এবং আসরের ফরজ নামাজের সূরাহ গুলি নিঃশব্দে পড়তে হবে কিন্তু মাগরীব, এশা, ফজরের ফরজ নামাজের প্রথম দুই রাকাতের সূরাহগুলো উচ্চস্বরে পড়তে হবে।
  • ওয়াজিব বা সুন্নত নামাজে শেষের দুই রাকাতে সূরাহ ফাতিহার পর আরেকটি সূরাহ পড়তে হবে।
  • জামাতের নামাজে মুক্তাদিগণের কোন সূরাহ পড়তে হবেনা, ঈমাম পড়বেন। কিন্তু বাকি সব তাসবীহ পড়তে হবে।
  • জুম’আ এবং ঈদের নামাজের সূরাহগুলো উচ্চস্বরে পড়তে হবে।

আরও পড়ুন: শবে বরাতের নামাজ পড়ার নিয়ম

তথ্য সুত্র: আল-ফিকহ

The post নামাজ পড়ার সঠিক নিয়ম appeared first on Priyota.

]]>
6681